তাপসদার তাগাদায় আবার কলম ধরলুম, খাচ্ছিলুম, ঘুমাচ্ছিলুম আর ক্যাম্পাসের সেই বাধা ধরা জীবন। কিছুটা নিরামিষ, আমিষ কিছু আছে, তা এক অদেখা জিনিসের সত্যতার মেহনত। আসল কথা কলম ধরেছি, কলাম লিখব বলে। আজকের বিষয় বনসাই কিংবা বামন বৃক্ষ। এ নিয়ে লিখব বলে অনেক দিন থেকে ফিকির করছিলাম। অযোগ্যতা শর্তেও মনে করেছিলুম একটা বই লিখব। তাই অপেক্ষা করছিলাম আর কিছু এলেম হাসিলের জন্য আর সম্মুখ জ্ঞান ও দক্ষতার প্রতিবিম্ব উপস’াপনের ওপর। সেই এস.এস.সি পাশ করার পর থেকেই হাতুড়ে বিদ্যেয় শুরু করেছিলাম আজব এই শিল্পকর্মের ওপর মেহনত। আজ এত বছর পর অনেক বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের আলোকে অনেকটাই দেখছি সত্য বলে উদ্ভাসিত হয়েছে। এত দিনের অজানা পথে চলা উপহার হিসেবে পেয়েছি ২০-২৫টা বামনবৃক্ষ। কিন’ জাপানী আর চাইনিজদের সেই পবিত্র বৃক্ষ রচনার যুগ যুগ ব্যাপী পরিচালিত কার্যক্রমের সাথে যা হঠাৎই মিলে যায়। কারণ এই সংস্কৃতির তত্ত্ব আজ আমার জানা। পাঠকৃবন্দ। পেছনে ফিরে তবে জেনে নেই বনসাই কি আর কেন এ নাম, কি তার ইতিহাস। বনসাই হলো কোন কোন বৃক্ষ বা গুল্মের ক্ষুদ্র রূপায়ন যা একটি পাত্রে / টবে জন্মানো হয়। বনসাই এর বৈশিষ্ট্য ঃ ১. পর্যায়ক্রমিক পদ্ধতি অবলম্বন করে গাছটিকে ছোট আকার দেওয়া হয় কিন’, ২. তার অবয়ব প্রকৃতিতে পাওয়া যায় ঐ গাছের একটি ক্ষুদ্র সংস্করণ। উদাহরণঃ আমার প্রথম অশ্বথের বনসাই তেরির সময আমার কল্পনায় ছিল সাতক্ষীরায় আমাদের গ্রামে মাঠের পাশে বেড়ে ওঠা এক প্রাচীন অশ্বথ। ৩. ঘর সাজানোর অন্যান্য হাউজ প্লান্ট হতে এর পার্থক্য হলো, সেগুলো ফুল কিংবা পাতার জন্য রাখা হয়। আর বনসাই এর মুখ্য বিষয় হচ্ছে তার পরিণত প্রাচীন রূপের ঝলক, যা ধারাবাহিকভাবে পরিচর্যা ও সংরক্ষণের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়। যেমন- এখন আমার বিশ্ববিদ্যালয় হোষ্টেলে পড়ার টেবিলে যে বনসাইটি শোভা পায, তা ঢাকা সিটি কলেজের উল্টোদিকে অবসি’ত পেট্রোল পাম্পের কোণায় (কিছুটা আমার ঘাড় টটিকলিসের জন্য যেমন একদিকে বাঁকা কিন’ স্বাভাবিক) সেই রকম তেড়া অশ্বথের অবয়ব ফুটে উঠেছে। ভাবতে ভালো লাগে কত ধীরে ধীরে তাকে মজবুত করে জ্ঞানী তাপসের মত ঠ্যাস মূল নামা বুড়ো ভামের করে শক্ত সামর্থ কর্মঠ করেছি। সত্যিই সে যেন সেই প্রবীণ গাছটির মিনিয়েচর। এই তো হলো বনসাই শিল্প। বাকী যে যাই তত্ত্বকথা বলুক, এটুকুই বনসাই শিল্পে মূল। ইতিহাস ঘটলে বনসাই সম্পর্কে যা জানা যায় তার সারমর্ম নিম্নরূপঃ “উহা হইতেছে চীনাদের অনুসৃত একটি ধর্ম কলা, তাহারা চ্যাপ্ট বা প্লেটের ন্যায় পাত্রে বড় বড় বৃক্ষরাজি কিংবা গুল্মের ক্ষুদ্র সংস্করণ প্রস’ত করিত এবং বংশ পরম্পরায় উহাকে ধর্মীয় সম্পদ হিসাবে গৃহে সংরক্ষণ ও পরিচর্যা করিত। বৌদ্ধ ভিক্ষুদের দ্বারা উহা জাপানে গমন করে। ততসহ হংকং, কোরিয়া এতদ অঞ্চলেও প্রসারিত হয়। জাপানীরা উহাকে ধর্ম কর্ম রূপে বাড়িতে আশ্রয় দেয় এবং চ্যাপ্টা পাতের সাথে তাহাদের পাথুরে বাগানে (ট্রেডিশনাল জাপানীজ গার্ডেনিং) এর সংমিশ্রণে তার রূপকে আরও অদ্ভুত করে এবং তাহারাই উহাকে রেশম পোকা চাষের মত পর্দার আড়ার হইতে বাহির করিয়া বিশ্ব শিল্প মেলায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর প্রদর্শন করে। ইকেবোনার মত এই প্রযুক্তিটিও অন্য দেশের মানুষ কিছুটা আয়ত্বে আনতে পারে। এর পর থেকেই শুরু হয়েছে উহার পথ চলা এবং লাখ লাখ দাম ওঠা। এটুকু লেখার পর হঠাৎ মনে হলো আমি তো জহুর স্যারের ক্রপবোটানী ক্লাসের শেষ বেঞ্চে বসে আছি আর স্যার আমাকে জিজ্ঞেস করছেন গাছের জন্মানোর জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী সম্পর্কে। ভাগ্যিস ঠিক সেই সময় অদ্ভুত করে বাজলো ক্লাস খতম হওয়ার বিজয় ঘণ্টা। বনসাই-এর জন্য গাছ সংগ্রহ ঃ মিথ্যা বলা কোন চরিত্রবানের কাজ নয়। তাই বলছি আমার করা হবু বনসাইগুলোর বেশির ভাগই প্রকৃতি থেকে সংগ্রহ করা। কারণ বনসাই করার দু’টি পদ্ধতি আছে- ১. বীজ থেকে উৎপাদিত চারা থেকে- যা অতি ধীর পদ্ধতি কিন’ এটিই আসল পদ্ধতি ২. গাছ সংগ্রহ - এটি কয়েক ধরনের যেমন- বড় গছের কলম/ কাটিং থেকে চারা করে বনসাই তৈরি - তবে বহুল ব্যবহৃত এবং আমাদের মত শখের পাগলদের জন্য হচ্ছে পকৃতি থেকে চারা সংগ্রহ। দেখা যায় বড় গাছের ওপর, বাড়ির ছাদে, প্রাচীন দালানোর ওপর কিংবা যে কোন জায়গায় একটু চোখ কান খোলা রেখে হাঁটলেই পাবেন এই রকম গাছ, যা প্রকৃতির আজব খেয়ালে অদৃশ্য শক্তির নিয়ন্ত্রনে এমনিই বামন হয়ে গেছে। ২. আর একবার গেছি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে। সেখানে রাস-ার পাশে বন্ধ হয়ে যাওয়া টেক্সটাইলমিলের ছাদে দেখি আর একটা ব্যাস! প্রথম দেখাতেই……। কিন’ কাজ হলো না অনেক চোখ টিপে, দাঁত কিড়মিড় করে শেষ পর্যন- পরাজয়। কারণ সরকারী মিল বন্ধ হয়ে গিয়ে বটের চারাটা বেশ রিষ্টপুষ্ট হয়েছে। কিন’ ছাদে উঠলে নাকি…..। তাই সাবধান। বুঝে শুনে। যেমন- নাদিয়া, আমার বোনের মত বান্ধবীকে এইচ.এস.সি তে ফাষ্ট হবার পর যে বনসাইটা দিয়েছিলাম তা সংগ্রহ করা আরমানিটোলার এক পোড়ো বাড়ি থেকে। মাঝে ২ বছর ছিল আমার সাথে। পরে ছাড়াছাড়ি। জানিনা, গাছটি এখন কোথায় কেমন আছে, কারণ চিঠিও আর লিখি না। সাহিত্য বাদ। গাছ সংগহে যেসব কারিগরি বৈশিষ্ট্য দেখবেন, তা হলো- ১. গাছটি শক্ত সমর্থ ও হৃষ্টপুষ্ট হতে হবে, যাতে পাত্রে, টবে লাগানোর পর অনেক বছর বেঁচে থাকে। ২. গুড়ির বৃদ্ধি স্বাভাবিক হতে হবে। ৩. শাখা-প্রশাখাগুলো প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা, সুস’ সবল ও শৈল্পিকতা থাকতে হবে। ৪. গাছটিকে তার আকার অনুযায়ী সুদৃশ্য পাত্রে স’াপন করতে হবে। ৫. একটি অন্যতম প্রধান শর্ত হলো গাছটিকে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে স্বাভাবিক গাছের মত ফুল, ফল, পাতাঝরা ইত্যাদি ঘটবে। ৬. গাছটির গুড়ি হবে মোটা ও খাটো শীর্ষযুক্ত গাছ দেখতে ভালো লাগে এবং নেচারাল মনে হয়। বাংলাদেশে বনসাই করার উপযুক্ত গাছ নাম স্বভাব ফুল ধারনের সময় বংশ বৃদ্ধি কৃষ্ণচূড়া বহুবর্ষজীবী বৃক্ষ এপ্রিল-জুলাই বীজের মাধ্যমে রঙ্গন বহুবর্ষজীবী গুল্ম সারাবছর কান্ড কাটিং ও লেয়ারিং টগর ঐ এপ্রিল-জুন ঐ বাগান বিলাস ক্লাপিং সারা বছর ঐ গন্ধরাজ বহুবর্ষজীবী গুল্পম মার্চ-জানুয়ারি কান্ড কাটিং কামিনী ঐ এপ্রিল-সেপ্টেম্বর বীজ ও তন’কাটিং রাধচূড়া ঐ মে-আগস্ট বীজ বট/অশ্বথ বৃক্ষ চিরহরিৎ বীজ, গুটি কলম নীম বৃক্ষ চিরহরিৎ বীজ বকুল বৃক্ষ সারা বছর বীজ, কাটিং সোনালু বৃক্ষ ফল ধরলেই সুন্দর বীজ, কাটিং কাগজীলেবু গুল্ম সারাবছর বীজ শিউলী গুল্ম চিরহরিৎ কাটিং তেঁতুল বৃক্ষ সারাবছর কাটিং জবা গুল্ম সারাবছর কাটিং কামরাঙ্গা বৃক্ষ ফল ধরলেই সুন্দর বীজ, কাটিং বনসাই এর আকার ঃ বিজ্ঞানীরা বনসাই-এর আকার ও আকৃতির উপর ভিত্তি করে তাদেরকে শ্রেণীবিন্যাস করেছেন। আমাদের ঐ বৈজ্ঞানিক ভঙ্গের দরকার নেই। তবে জেনে রাখি সর্বনিম্ন ৪৫ সেঃমিঃ থেকে শুরু করে ১মি. (১.২) মিঃ পর্যন- হতে পারে। তবে একটি একক গাছের পরিবর্তে কখনও কখনও গ্রুপ হয়ে থাকে। এইটি একটু জটিল পদ্ধতি। থাকনা এটা আপাতত। কিভাবে বনসাই জন্মাবে? বনসাই জন্মানোর জন্য নির্বাচিত গাছকে পাত্রে স’াপন করা হয়। আমাদের মত ট্রপিক্যাল দেশে যখন মৌসুমী জলবায়ু প্রবাহিত হয় এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটে সেই সময় বনসাই রচনার শ্রেষ্ঠ সময়। প্রথমে জংলী সংগ্রহটি কিংবা বীজ থেকে তৈরি চারাকে সাধারণত ছোট পাত্রে লাগিয়ে আপনার বাগানের ছায়াযুক্ত এককোণায় কয়েক বছরের জন্য ফেলে রেখে দিন যাতে করে এর গুড়িটি মোটা হয় এবং সুগঠিত শাখা, প্রশাখা পাওয়া যায়। গাছটিতে ৩/৪ বছর পরে দেখলে দেখা যাবে তা অনেক পরিপক্ক ও বয়ঃপ্রাপ্ত হয়েছে। তবে বৃদ্ধি এবং স-ম্ভ্ভ মূলগুলো এদিক থেকে ওদিকে জড়িয়ে তার রূপের ঝলক দেখাচ্ছে। ছোট পাত্রে (আমি সাধারনত দই এর হাঁড়ি, ভাঙ্গা সানকি ইত্যাদি ব্যবহার করি) লাগানোর ফলে এর মূল মাঠের মাটির সাথে পুরো মিশে যায় না, কিন’ কিছুটা নিচের ফুটো দিয়ে প্রবেশ করে। এই ৫/৭ বছর গাছটি তার নিজস্ব রীতিতে সম্পূর্ণ প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে তার বৃদ্ধি ঘটায়। ফলে তা কিছুটা গ্রামের মুক্ত পরিবেশের ছেলেমেয়েদের মত দেহ পল্লবকে বিস-ার করে। টবে বনসাই এর জন্য উপযুক্ত পাত্রে লাগানোর পূর্বে তাই এর মূল ও শাখা প্রশাখাকে কেটে ছেটে ফেলা লাগে। বিজ্ঞানের ভাষায় এই কাজটিকে বলে প্রুনিং/ ট্রেনিং। অনেক ক্ষেত্রে আমি যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছি, তা হলো প্রকৃতির মহিমা ও ছায়ায় বামন হয়ে যাওয়া গাছটিকে সরাসরি একটি টবে লাগিয়েছি আর তা পর বছর ২ ফেলে রেখেই বাগানের নির্জন কোণে। এই হিজরতের ফলে তার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, রূপের ঝলকও বেড়েছে আর শক্ত দেহ পল্লবে শোভিত হয়ে উঠেছে। তার পরেই তা চলে এসেছে বেলকনিতে কিংবা টেবিলে। বনসাই এ জন্য পাত্র ঃ ক্স স’ান, কাল, পাত্র/ অধিকরণ কারক অনুযায়ী অর্থাৎ গাছ, আকার, আপনার ঘরে তার অবস’ান এবং ইন্টেরিয়ার ডেকোরেশনের মনন এখানে কাজে লাগবে। ক্স তবে পাত্রটি ছোট এবং কিছুটা চ্যাপ্টা ও অগভীর হলে ভালো হয়। ক্স গোল, ত্রিকোন সব রকমেরই হতে পারে। ক্স মাটি কিংবা সিমেন্টের পাত্রই শ্রেষ্ঠ। প্লাষ্টিক কনটেইনারকে এখানে বাদ দিতে হবে। ক্স পাত্রটি কাঠের সুদৃশ্য ফ্রেমে কিংবা বেতের ঝুড়ির মাঝেও রাখা যেতে পারে। মাটি ঃ মাটি/ অনেক ভৌত ও রাসায়নিক গুণাবলী যেমন, ঢ়ঐ, ঈ/ঘ অনুপাত কণার আকার আরও এ্যাগরা বেগরা অনেক জিনিস বিবেচনায় আনতে হয়। তবে সহজ একটা ফর্মুলা দিয়ে দিচ্ছি, সৌদি বাংলা ফিশ এন্ড পোলট্রি মত যা সব শর্ত মোটামুটি পূরন করতে পারবে ঃ ফর্মূলা-১ পুকুরের তলার পচা কালো মাটি সংগ্রহ করে তাকে রোদে শুকিয়ে ভালো করে গুঁড়ো করে নেওয়া যেতে পারে। তার সাথে যোগ করতে হবে কিছু ছাই, হাড়ের গুঁড়ো, কয়লার গুঁড়ো যা এর চটচটে কিংবা বালিয়াড়ী ভাব দূর করবে আর একটি নিউট্রল চঐ অর্থাৎ অম্লীয় ও ক্ষারীয় নয় এমন মাটি উপহার দেবে। ফর্মূলা-২ দোয়াশ মাটি ৩ ভাগ গোবর সার/ পাতা পচা সার ৩ ভাগ পাথুরে বালি/ মধ্যম মোটাবালি ২ ভাগ হাঁড়ের গুড়ো- সামান্য ছাই ১ ভাগ কয়লা/ কয়লার গুঁড়ো ১ ভাগ এটি সাধারণভাবে বাংলাদেশে প্রচলিত বনসাই বৃক্ষগুলোর জন্য উপযোগী। টবে গাছ লাগানো ঃ ক্স সম্পূর্ণ আপনার নিজস্ব চিন-াধারা ও পরিকল্পনার রূপায়ন ঘটবে এখানে ক্স তবে খেয়াল রাখবেন যেন পরিকল্পনাটি বাস-ব/ প্রাকৃতিক বিন্যাসের সাথে সাদৃশ্য পূর্ণ হয়। তাহলেই জিনিসটি সুন্দর লাগবে। যেমন- হালকা সাজেই সবাইকে ভালো দেখায় যদি কেউ স্বাভাবিকের বাইরে চুলকে কিংবা ভ্রুকে উল্টে দেয় বা মুখে একগাদা কাদামাটি মাখে, তাহলে কিন’ ভালো লাগে না। বনসাইকে টিকিয়ে রাখা * সাধারণ হাউজ প্লান্টের মতই একে ঘরে কিংবা বারান্দায় ধানসিঁড়ি এর্পামেন্টের চা টেবিলে কিংবা আমার মত নাদানদের পড়ার টেবিলে এদের অবস’ান, * ফ্যানের বাতাস এবং আলোর অভাব এর মৃত্যুর কারণ হতে পারে, * তবে বেলকনীতে কিংবা বারান্দায় টি-টেবিলের গাছের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটি কম। * আমি নিজস্ব একটা মতাদর্শভিত্তিক পদ্ধতি অনসুরণ করি। তাহলো গাছগুলোকে মাঝে মাঝে বাইরে হিজরত করিয়ে দেই। বৃষ্টির পানিসহ সেই উঁচু সানওয়ালার কুদরতের আদরে তারা প্রাণ ফিরে পায়। * তারপর আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসি ঘরে হাঁপিয়ে ওঠা এই শহরী জীবনে প্রকৃতির নিবিড়তার জন্যে। জলযোগ ঃ * পানি সেচের জন্য টব সহ গাছটিকে পানি ভর্তি বালতিতেই চুবালেই হয়ে যাবে (কয়েক মিনিটের জন্য) * তা ছাড়া সকাল বিকাল মর্টিনের খালি সেপ্র ক্যান পানি ভরেও ছিটিয়ে দেওয়া যায়। ট্রেনিং-প্রোনিং ঃ * ২-৩ বছর যাওয়ার পর গাছ তার ছোট ভ্রবনের সব মাটিকে ভক্ষণ করে ফেলবে আর ভরে যাবে শিকড় দ্বারা। তাই গাছ বুঝে বছরে ১ বার কিংবা ২/৩ বছরে একবার তরে মাটি বদলে কেটে ছেটে দিতে হয়। * এই সার্জিক্যাল কাজটা ওপেন হার্ট সার্জারীর মত। কারণ জীবন মরন সমস্যা। শিকড় কেটে গাছ লাগানোয় মাটিতে অমনি জীবাণু ঢুকে গেল শরীরে। ব্যাস! কেল্লাফতে। * সেজন্যই তো পূর্বে যেতে হত ভেলর কিংবা সিঙ্গাপুরে আর বনসাই এর জন্য বান্দারা আছে মজুদ আপনাদের খেদমতে। সার প্রয়োগ ঃ * বাংলাদেশের জন্য জগৎ বিখ্যাত হচ্ছে খৈল ড়রষ পধশব বলে রাখি কখনই কৃত্রিম রাসায়নিক সার নয়, কারণ তাতে অনেক সমস্যা হয়। * খৈল তরল অথবা পাউডার আকারে প্রয়োগ করা যায়। তবে আমি তরলের জন্যই বেশী জী লিখি। জী * সঁংঃধৎফ ড়রষ পধশব - ১ শম রং ফরষঁঃবফ রিঃয ংরী ষরঃৎবং ড়ভ ধিঃবৎ ধহফ ফবপড়সঢ়ড়ংবফ (৩-৪ বিবশং) * অভঃবৎ ফবপড়সঢ়ড়ংব ফরষঁঃবফ রিঃয ৫-১০ ঃরসবং. * ঞযবহ ধঢ়ঢ়ষরবফ ঃড় ঃযব ংড়রষ ষবধারহম ঃযব নধংব ড়ভ ঃযব ঃৎঁহশ. * ঞযব ঢ়ষধহঃং ংযড়ঁষফ নব সধহঁৎবফ রহ ঃযব ংঢ়ৎরহম ধহফ ধমধরহ রহ ঃযব ৎধরহু ংবধংড়হ যিবহ ঃযবু ংযড় িাবমবঃধঃরাব মৎড়ঃিয. * মাত্রা-মেয়াদ অনুসাদ অর্থাৎ, অঙ্গজ বৃদ্ধির সাথে তাল রেখে তবে বৃদ্ধি মৌসুমে অবশ্যই মাসে ১ বার। * চা পাতার টনিকও বেশ কার্যকর। রোগ বালাই * হলে রক্ষা নাই। * প্রাথমিকভাবে আপনার এরোসলটা ব্যবহার করুন ভাই। * এর পর লর্ড ভানু বন্দোপাধ্যায়ের মত “আমি তো আছি”। বনসাই কেনার আগে খুব সাবধান। কারণ বৃক্ষমেলাসহ নার্সারীর রুসুমী বনসাইগুলোর বেশিরভাগই বেদাতী কারণ সে তো আমাদের গোপন কথা আর রসায়ন বিজ্ঞানের তেলেসমাতি কারবার। থাক না বন্ধ সেই চ্যাপ্টার।

পতাঙ্গীর রূপসুধা

বেশ কিছুদিন আগেকার কথা। পটুয়াখালী শহরে গিয়েছি। ডিসি কোর্ট মসজিদের সামনে কালিকাপুর বাজারে সকালবেলা দেখি অনেক বিচিত্র ধরনের শাক। তার মধ্যেই দৃষ্টি এটে গেল যেটার ওপর সোজা বাংলায় যাকে বলে ঢেঁকিশাক কঠিন করে পূর্ণাঙ্গ বা পত্রাঙ্গী কিংবা ফিরিঙ্গী ভাষায় ফার্ন। মনটা একটু উদাস হল। কারণ একদিন বকা খেয়েছিলাম, এনিয়ে লেকচার কপচাতে গিয়ে। তা বেশ আগের কথা। আমি ফাষ্ট ইয়ারে শেষের দিকে। বাড়িতে ঢেঁকিশাক দিয়ে ভাত চাকুম-চুকুম করছি আর বয়ান করছি- জান ওটার ঔষধি গুণ আছে। এটা বাগানের একটা গুরুত্বপুর্ণ শোভাবর্ধক উদ্ভিদ, আর যেই না বলেছি ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনে রান্নাঘর আর বাথরুম টয়রেটে লাগানো……। শেষ করতে পারিনি। এক সাথে যৌথ বাহিনীর আক্রমণ খেয়ে দেয়ে কাজ নেই বাড়িতে জঙ্গল লাগাবে/ শেষ পর্যন- না ঢেঁকিশাক/ ফাজল্যামী করিস না/ তার মার ছিঁছড়া দুম্বা হই গেছে ইত্যাদি সবুরে মেওয়া ফলে। ক’দিন পর দেখি বাড়ির ছায়াঘেরা কার্নিসে নতুন টবে নতুন অতিথি। হোঃ হোঃ করে হাসছি দেখে ক্রেতা গুরুজনের চোখ চড়ক গাছ। বুঝিয়ে বললাম- এটাও এক ধরনের ঢেঁকি শাক। আসলে এই হচ্ছে ঘটনা। দাম দিয়ে কেনা হয়েছে বলে তার নাম এডিয়েন্টাল, নেফারোপিপিসি ইত্যাদি আসলে সবই ফার্ন। খাওয়ার জন্য আমরা সাধারণত প্যাচ খাওযা/ কুন-লিত যে পাতা ব্যবহার করি, তাকে সারসিনেট ভার্নেশন বা পৎড়ংরবৎ বলে। প্রকৃতির স্বাভাবিক পরিবেশে, পাহাড়ের গায়ে, গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় ইটের খাঁজে একটু দেখলেই খুঁজে পাবে তাকে। আলোচনায় এসেছে এটি তার ঋৎড়হফ (ফার্ন পাতা) এর রূপের ঝলকের জন্য, বাগান ছাদ কিংবা ঘর সাজাতে। বিশেষত রান্নাঘরের বেসিনের ধারে কিংবা টয়লেটে বাগানে এক কোণে আধো ছায়ায় একটি ফার্নারী ছাড়া যেন মানায় না। ২০-২৫ বছর যাকে রক্ষা করা যায় শুধুমাত্র একটু কেটে কুটে ছেটে ফেলে সামান্য একটি মসলা শীতের আগে আগে বসনে- দিলেই চলবে। বাড়িতে টেবিলে, বেসিনের কোণে কিংবা টয়লেটের কার্নিসে পট প্লান্ট (ঢ়ড়ঃ ঢ়ষধহঃ) কিংবা হ্যাংগিং বাসকেটে ফার্ন লাগানো হয় তার সুন্দর পাতার জন্য। ফ্লাওয়ার ভাস সাজাতেও এর পাতার ব্যবহার আছে। তা ছাড়া খাসিয়া জয়নি-য়া পার্বত্য অঞ্চলে কিছু সুগন্ধি ফার্ন পাওয়া যায়। সিলেট চট্টগ্রামের জঙ্গলের ফার্নগুলোও বিশেষ বৈশিষ্ট্য রাখে। বাণিজ্যিকভাবে ফার্নের চাষ ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর জন্য দরকার ফার্ন হাউজ, যা সহজেই নির্মাণ করা যায়। বোতল গার্ডেনেও হাইড্রোফনিক্রে ফার্ন লাগানো যায়। ফার্ন জন্মানোর শর্ত ঃ ১. ছায়াযুক্তস’ান - ফার্ন অতন- কোমল উদ্ভিদ। ফলে টানা রোদ সহ্য করতে পারে না। - প্রকৃতিতে ফার্ন কোথায় জন্মে তার কথা চিন-া করলেই ফার্ন রাখার স’ান নির্বাচন করতে পারবেন। ২. উচ্চ আর্দ্রতা - বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি হতে হবে। - দেখা যায় যে, ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনের ক্ষেত্রে আর্দ্রতা বেশি ঘরের এমন স’ান অধিক উপযোগী। ৩. মাটির আর্দ্রতা - বেশি হবে তবে জলাবদ্ধ নয়। - মস ও ফার্নের সহাবস’ান একটি দেখার মত বিষয়। - সুনিষ্কাশিত ৪. জৈব পদার্থ - বেলে, বেলে-দোঁয়াশ বা হাল্কা বুনটের মাটি - উচ্চ জৈব পদার্থযুক্ত। ফার্ন জন্মানো ঃ ক. স’ান তৈরি - যেখানেই লাগাই, খুব সতর্কতার সাথে জায়গা তৈরি করতে হবে। - এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে ফার্ন জন্মে বনে গাছের পচে যাওয়া ডালে কিংবা মখমলের মত পড়ে পাকা পাতাপচা হিউমাসের কার্পেটে। কখনই ভারি মাটি পছন্দ করে না। - ফার্নের মাটি সর্বদাই একটু ভেজা এবং স্যাঁতসেঁতে থাকা প্রয়োজন। - পুরানো সুড়কী, ইটের খোয়া, নুড়ি পাথরে, পাতাপচা সার এবং পাথরে বালি সমপরিমাণে দোঁয়াশ মাটিতে ফার্ন লাগানো যেতে পারে। উপরে মসের আস-রণ দেয়া যেতে পারে। - টবে বা ঝোলানো ঝুড়িতে ফার্ন লাগানোর জন্য নিচের ফর্মুলা অনুসরণ করা যায় (সাধারণভাবে)। ফর্মূলা-১ (পিট বেইসড) ফর্মূলা-২ (সয়েল বেইসড) ইটের খোয়া-১ ভাগ পাতাপচা সার-১ ভাগ কয়লা/পীট-১ ভাগ পচা গোবর/ খৈল/ চাপাতা-১ ভাগ পাতাপচা সার-১ ভাগ পীট/ কয়লা-১ ভাগ দোঁয়াশ মাটি-১ ভাগ হাড়ের গুঁড়া ১ ভাগ পাথুরে বালি-১ ভাগ পাথুরে বালি-১ ভাগ চুনাপাথর-১ভাগ করাতের গুঁড়া ১ভাগ ছাই-১ ভাগ দোঁয়াশ মাটি-২ ভাগ -পরাশ্রয়ী ফার্নের জন্য উপকরণের সাথে গাছের ছালের টুকরা, করাতের গুঁড়া, নারকেলের ছোবড়া ইত্যাদি বেশি করা রাগবে। -টবের (২/৩), ভাগ প্রথমে মাটি, পাথুরে বালি, চুন-সুড়কি দিয়ে ভর্তি করে তার উপরে ফর্মূলা অনুযায়ী তৈরি মিশ্রণ দিয়ে পূর্ণ করতে হবে। পূর্ণ করার পূর্বে মসের একটা স-র বিছিযে দেয়া যেতে পারে। - উপরেও স-র দেয়া যেতে পারে এবং ফার্ণ লাগানোর জন্য টব তৈরি। - গ্রীষ্মকালে ঝাঝরির সাহায্যে পানি ছিঁটাতে হবে যাতে মাটি স্যাঁতসেঁতে থাকে। আলোর প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী এদেরকে সাজাতে হবে। -ফ্যানের হাওয়া এবং অতিরিক্ত আলো ফার্নের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত আলোতে পাতা ঝলসে যায়। - প্রতি বছর টবের মাটি পাল্টাতে হয়। কারণ শেকড় দ্বারা টব পূর্ণ হয়ে যায়। সামান্য গুঁড়াচুন (ফোটানোর পর) ৩/৪ মাস পর পর গাছের গোড়ায় মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে পারলে গাছ খুবই সতেজ থাকে। সেই সাথে সামান্য হাড়ের গুঁড়া খুবই কার্যকর। বংশবৃদ্ধি ঃ গাছের পাতার (ভৎড়হফ) পেছনে থাকা স্পোর দিয়ে নতুন চারাগাছ উৎপাদন করা হয়। একে সোরাস পদ্ধতি বলে, যা বেশ জটিল এবং বিশেষ জ্ঞানের দরকার হয়। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ফার্ন চাষের জন্য এই জ্ঞানের দরকার হয়। তাই এখানে তার বিস-ারিত বর্ণনায় যাচ্ছি না। তবে সাধারণভাবে আমরা রাইজোম থেকে নতুন ফার্ন পেতে পারি। বাকি হর্টিকালচার সোসাইটি, বোটানিক্যাল গার্ডেন আর বড় বড় নার্সারিগুলো আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ফার্নের যোগান দিয়েই যাচ্ছে। - নিচে ফার্নের প্রধান কয়েকটি প্রজাতির বিবরণ দেয়া হলো। এদের সবাই ঢ়ড়ষুঢ়ড়ফরধপবধব পরিবারভুক্ত। বাণিজ্যিক নাম বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্য গার্ডেনিং ১. গধরফবহ ষধরৎ ভবৎহ অফরধহঃঁস * ভূমিজ উদ্ভিদ * ছায়ামুক্ত স’ান এবং ৫-৩% পূর্ণ সূর্যালোক * তাপমাত্রা ৬০-৭০০ঋ * গাছ, উজ্জ্বল সবুজ পাতাযুক্ত, * নিরক্ষীয় আমেরিকা উৎপাদনস’ল। * রাইজোম ভাগ করে বংশ বিস-ার হয়। * গোড়ায় সৃষ্ট * এর নতুন চারা থেকেও সম্ভব। * তাপমাত্রা ১৫০ঈ এর শীতকাল নিস্ক্রীয় অবস’ায় থাকে। তবে তখন সাবধানতার সাথে ছায়াযুক্ত স’ানে আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। * ২২-২৪০ঈ এ বৃদ্ধি পর্যায়ে থাকে। ২. ইরৎফ হবংবঃ ভবৎহ অংঢ়ষবহরঁস * ভূমিক পত্রাঙ্গী * ছায়াযুক্ত স’ান এবং ১০-১৫% পূর্ণ আলো * তাপমাত্রা ২৫-৩০০ঈ * নেপালো, লম্বা ও রোজো আকারে সাজানো * দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া উৎপত্তিস’ল। * টবে লাগানোর জন্য বিশেষ উপযোগ। * মূলে সব সময় আর্দ্রতা থাকতে হবে। শীতে পাতার রং বাদামী হয়ে যায়। * হাল্কা ছায়াযুক্ত এবং বেশ আলোকযুক্ত স’ানে ভালো * বিশেষ ধরনের কস্পোষ্ট যা ২ ভাগ দোঁয়াশ মাটি ও পাতাপচা সার এবং ১ ভাগ পচা জৈবসারযুক্ত * স্পোর, বুলবিল এবং অফসেট হতে বংশবৃদ্ধি করতে হয় ৩.ঝড়িৎফ ভবৎহ বা বোষ্টন ফার্ণ ঘবঢ়যৎড়ষবঢ়রং * নিম্ন শ্রেণীর ইপিফাইটিক * হাল্কা ছায়া এবং ১০% পূর্ণ আলো * তাপমাত্রা ১৩-১৮০ঈ * সরু, লম্বা ও চিরুনীর মত সাজানো সবুজ আকর্ষণীয় ভৎড়হফ সবচেয়ে জনপ্রিয় যড়ঁংব ঢ়ষধহঃ ফার্ন। * বাথরুম ও রান্নাঘরের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে সর্বোপরি টবে কিংবা ঝুলানো ঝুড়িতে। * মার্চ-সেপ্টেম্বর মাসে বৃদ্ধি পর্যায়ে খৈলপচা সার এবং * পর্যাপ্ত সেচের বেশি প্রয়োজন। * ঈষঁসঢ়ং দ্বারা সহজে বংশ বৃদ্ধি করা যায়। ৪. হেয়ারফুট ফার্ণ বা স্কুইবিল ফার্ণ উধাধষষরধ * শুষ্ক, কোপালো, কান্ড মাটির উপর শুয়ে থাকে। * উজ্জ্বল আলো ৭৫-৬০% পূর্ণ আলো * তাপমাত্রা ১৫-৭৮০ঈ * পাতা সবুজ এবং পালকের মত * সরাসরি শেকড়ে সূর্যালোক এবং অতি আর্দ্রতা ক্ষতিকর। হ্যাংগিং বাস্কেট এবং টবে খুব ভালো লাগে। * স্পোর এবং রাইজোম বিভাজনের মাধ্যমে সহজে বংশ বৃদ্ধি করা যায়। ৫. টেরিস চঃবৎরং * পাতা ৫/৬ ইঞ্চি বা তার বেশি লম্বা * অন্ধকার, ছায়াচ্ছন্ন জায়গাতে ভালো হয় * গ্রিক শব্দে এর অর্থ পাখা * পাতা সবুজ। * বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্ন সচরাচর ঢেঁকিশাক নামে পরিচিত * বাথরুম ও কিচেনের ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে জায়গার জন্য বিশেষ উপযোগী। * বসন- এবং গ্রীষ্মে সেচের ব্যাপক প্রয়োজন পড়ে। * খুব সহজে বংশ বৃদ্ধি করা যায়। ফার্নের মধ্যে গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং নাতিশীতোষ্ণ অনেক জাত আছে। উপরে প্রধান ও বহুল ব্যবহৃত কিছু জাতের আলোচনা করা হয়েছে। তবে শেষ কথা এরা সরাসরি আলো পছন্দ করে না আর ফ্যানের তলার রাখা যাবে না। তাই ছোট্ট এই গাছটির টব খুব ভালোভাবে মানায় ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনে ভিন্ন মেজাজ পয়দা করে। ছত্রাকজনিত রোগ এর একটি প্রধান শত্রু।

One Response to “বামন বৃক্ষ (বনসাই)”

  1. Shadhin says:

    অনেক কিছু শিখতে পারলাম। আমি যতদুর জানি পাথর দিয়ে কিছু একটা করা হয়।কি সেটা বলতে পারছি না।

Leave a Reply

You can use these tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>