খুব ছোট বেলার কথা-মিনা ফুপু একটা কাঁচের বোতলে বাহারী পাতার একটা গাছের ডাল ডুবিয়ে রাখলেন। প্রতিদিন গিয়ে দেখি সেটা। কিছুই বুঝিনা তবে আগ্রহের কমতি নেই। কারণ ফুফু বলল-ডালটার নিচ থেকে নাকি শেকড় গজাবে। অদ্ভুত আশ্চর্য কথা, একদিন সত্যিই দেখি শেকড় গজিয়েছে। আজব সেই বোতল আর তার ভেতরে ঘটা কেরামতিগুলোর অনেক সূক্ষ্ম হেকমতই আজ আমার জানা। অনেকের বাড়িতেই দেখা যায়, মানিপ্লান্ট বা অন্য কোন গাছ বোতলে পানি দিয়ে রেখেছে আর জানালার দৃশ্যের সৃষ্টি বাতাসে গাছগুরো বেড়ে একটা নয়নাভিরাম দৃশ্যের সৃষ্টি করেছে। এই সাধারণ ঘটনার মধ্যে একটু বেশি তেল মসলার মজাদার প্রযুক্তির ডিসটিকে বলা হচ্ছে বিজ্ঞানের মেনুতে হাইড্রোফনিক্স বা ধিঃবৎপঁষঃঁৎব হতে পারে বাংলায় জলাবাদ। আমরা যদিও অনেক পিছিয়ে আছি, কারণ বিশ্বের উন্নত দেশগুলো গ্রীন হাউজে হাইড্রোফনিক্সের মাধ্যমে উপাদন করছে শাক সবজি আর বাহারী ফুল। চাহিদা মেটাচ্ছে টাটকা শাক সবজির আর মনের। আধুনিক এই প্রযুক্তিটা সম্পর্কে তোমাদের প্রাথমিক ধারণা প্রদান আর একটা ছোট কাজ বা প্রজেক্ট হিসেবেই আজকের লেখা। এসো তবে দেখা যাক সত্যিই এটা টু-ইন ওয়ান ফায়দাদিতে পারে কিনা অর্থাৎ ক্ষুদে বিজ্ঞানীর প্রজেক্ট সাথে বাড়ির জন্য হয়ে যাবে ইনটেরিয়র ডেকোরেশনের একটা নতুন ধরনের আইটেম। তাহলে শুরু করা যাক ঃ- প্রথম কথা-হাইড্রোফনিক্স মূলতঃ একটা প্রাচীন পদ্ধতি তবে নামটা নতুন। নাম দিয়েছেন বিজ্ঞানী উৎ. ড.ঋ., এবৎরপশব। আমাদের দেশে বরিশাল অঞ্চলে দেখা যায় নীতে কচুরীপানার গাদা পচে কালো একটা ভাসমান অবয়ব সৃষ্টি করে। তার ওপরে এই অঞ্চলের মানুষ বিভিন্ন ধরনের চারা ও শাক সবজির আবাদ করে। এখানে গাছের শেকড় ধারক হিসেবে ঐ কালো কচুরীর স-রে আর রেডিমেড পুষ্টি উপাদান ও পানির সাপ্লাই পায়। এটাও এক ধরনের হাইড্রোফনিক্স। অর্থাৎ, বোঝা গেল মাটিবিহীন অবস’ায় পুষ্টি দ্রবণে কখনও কখনও সকল বস’কে ধারক হিসেবে (যেমন-বরিশালে কচুরীর স-র) গাছকে রেখে বড় করে ফুল পাতা ইত্যাদির আবাদ। গ্রীন হাউজে এই কাজে কিছু যন্ত্রপাতি এমনকি আজকাল রোবটও ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা যে কাজটা করব, তা হচ্ছে একটা বোতলে পদ্ধতিটির বাস-বায়ন দেখব। যে কারণে একে চাষ বা আবাদ না বলে এক্ষেত্রে বলা যেতে পারে পানিতে গাছ বড় করে ঘর সাজানো, সাথে বাড়তি (% ঊীঃৎধ) হিসেবে বিজ্ঞান তথা, কৃষিবিজ্ঞানের কিছু পড়া পড়ে ফেলত যেমন-পুষ্টি উপাদানসমূহের কাজ, গাছের বৃদ্ধি, ফুল ধারণ নিয়ে নানা তেলেসমাতি কারবারের কাচ্চি বিরিয়ানী। হাইড্রোফনিক্সের কিছু সাধারণ শর্ত হলো এই- ১। আমরা গাছের শেকড়কে শুধু পুষ্টি উপাদান (ঘঁঃৎরবহঃ) আর পানির মাঝে স্বাছন্দ্যে বাড়তে দেব। ২। নিউট্রিয়েন্ট আর পানি দিয়ে যে সলিউশন (ঝড়ষঁঃরড়হ) তৈরি করব, তা গাছের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান গ্রহণের মাত্রানুযায়ী হবে। ৩। গাছের মূল যে পাত্রের বা অবকাঠামোর ভেতর তরল ঝোলে ডোবানো হবে, তার ওপরে কিছু স’ান বাতাসের জন্য রাখতেই হবে। ৪। সাধারণত চারা তৈরি বা কখনও কখনও একটু বড় হওয়া গাছকেও তার মুল নরম মাটির বীজতলায় বড় করে নিতে হবে। এত হাইপোথিসিস পড়ে মনে হয় সব তাল গোল পাকিয়ে গেছে। আমি আগেই বলেছি, আমাদের পদ্ধতিটা হতে পারে একটা গৃহ সজ্জা প্রযুক্তি, যার অবস’ান ঘরের ভেতরে (তবে সরাসরি ইলেকট্রিক ফ্যানের নিচে নয়) কিংবা বারান্দা, বেলকনী, গ্রীলের গায়ে বাঁধা কিংবা কার্নিশের ওপর আলো, বাতাস, অন্ধকার সবই পায় পর্যাপ্ত। শুধু বৃষ্টির পানি যেন বোতলের ভেতর না ঢোকে। পাত্র নির্বাচন ও প্রস-তকরণ ক্স বাজারে লবণ, মসলা প্রভৃতি রাখার জন্য কাচের বোয়াম, প্লাষ্টিকের জার পাওয়া যায়। এরকমই ৪-৫ ইঞ্চি ব্যাস বিশিষ্ট মুখের দরকার মাফিক বোতল। ক্স কটা নেবে সেটা নির্ভর করবে তুমি কটা ইউনিট বানাবে। ক্স অস্বচ্ছ অর্থাৎ ট্রান্সপারেন্ট নয়। কালো বা গাঢ় রঙের হলে ভালো হয়। ক্স রূপচাঁদা টাইপের ২-৪ লিটারের তেলের খালি বোতলগুলোও স’ান বিশেষে ব্যবহার করা যায়। তবে শর্ত অপরিবর্তিত অর্থাৎ, রং করে নিতে হবে। কারণ গাছের মূল বোতলে অন্ধকারের মধ্যে থাকবে। আলোর প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ। ক্স নির্বাচিত পাত্রে গাছ লাগানো ও ধারনের উপযোগী করার জন্য। - প্রথমত বোতলের (বোয়াম/জার) মুখে ২-৩ সুতা মাপের বড় ফুটো করে না। - বোতলের মুখের ঠিক মাঝখানে একটু বড় মাপের (৩ সুতা) ফুটো কর। - আশে পাশে বৈচিত্র/ সদৃশ বজায় রেখে আরও ২-৩টা একটু ছোট (২ সুতা) মাপের ফুটো কর। * বোয়াম বা জার হলে এটুকুই যথেষ্ট কিন’ রূপচাঁদা ধরনের তেলের বড় ক্যান হলে- চিকন মুখের ২-৩ ইঞ্চি নিচে বোতলের গায়ের চারদিকে কয়েকটা ফুটো (ইকনো কলমের ব্যাসের চেয়ে একটু কম) কর। ধারকা/মাচা তৈরি ক্স গাছ বড় হলে আলোর দিকে হেলে যেতে পারে। তার জন্য বাঁশ, বেতের সুদৃশ্য কঞ্চি রেডি রাখ। লতানো গাছের জন্য অবশ্যই লাগবে। ক্স বলতে ভুলে গেছিলাম বোতলের গায়ে অপুরূপ ডিজাইনে মাতিয়ে তোলার বিষয়টাও মাথায় রেখ। গাছ নির্বাচন ক্স খুব কঠিন না হলেও সহজ নয়। কারণ কোন ধরনের গাছ টিকবে এটাই তো একটা পরীক্ষা। ক্ষুদে বিজ্ঞানীর প্রজেক্টে তাই বলে দেব না এই গাছাই লাগাও অর্থাৎ, ঠেকে শেখ। ক্স খেপে যেও না, সুবিধার্থে একটা লম্বা লিষ্টি- দিচ্ছি - সবজি- বরবটি, টমেটো, সয়াবিন, বিভিন্ন ধরনের ডাল, সীম, লেটুস, ফার্ণ, বিলাতী ধনে পাতা…. ফুল-মানিপ্লান্ট, পাতাবাহার, গেইটফুল, নয়নতারা, অপরাজিতা, দোপাটি, গাঁদা, কসমস, রক্তপাতা, কার্নেশন, স্যালেভিয়া, ভাবৈনা, ল্যান্টানা, ফ্লক্স, দুরন-, বাগান বিলাস, বোতামফুল, বেলী…… পুষ্টি ঝোল (ঘঁঃৎরবহঃ ঝড়ষঁঃরড়হ) তৈরি ঃ ক্স নিচে দুটো রেডিমেন্ট ফরমুলা দিলাম। ঢাকায় যারা থাকে তারা হাটখোলার ক্যামিকেলসের দোকান থেকে কিংবা মিটফোর্ড, আর বেশি হলে স্কুল কলেজের কেমিষ্ট্রি স্যারকে বুঝিয়ে উপাদানগুলো সংগ্রহ কর। ক্স উপাদানগুলোর দাম কিন’ খুব কম। তাই ঠকবে না। একবারে বানালে কালো ব্যারেলের মুখ বন্ধ করে রাখা যেতে পারে। কিন’ এটা না করাই ভাল। কারণ বলা বেশ কঠিন, তবে সহজে জেনে রাখ বৈজ্ঞানিক কিছু অসুবিধা আর কার্যকারিতায় সমস্যা হয়। ক্স বাজারে পাওয়া সারও ব্যবহার করতে পার। তার জন্য একটা পৃথক ফর্মুলা আর দুটো কঠিন আর জটিল বৈজ্ঞানিক তালিকা দিলাম। ভয় না পেয়ে-মনোযোগ দিয়ে পড়লেই বুঝবে। ফর্মুলা-১ পটাসিয়াম নাইট্রেট (কঘঙ৩)-০.২ম ক্যালসিয়াম নাইট্রেট ঈধ(ঘঙ৩)২-.৮ম পটাসিযাম বাই সালফেট (কঐ২চঙ৪)-০.২ম ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (গমংড়৪)-.২ম ফোরিক ক্লোরাইড (ঋবপষ্ল)-২ ফোঁটা পাতিত পানি ১০০০ ঈ.ঈ. ফর্মুলা-২ পটাসিয়াম নাইট্রেট কহড়৩ - ১.০ম ক্যালসিয়াম সালফেট ঈধঝড়৪ - ০.০৫ম ম্যাগনেসিয়াম সালফেট গমংড়৪ - ০.৫ম ফেরাস সালফেট ঋবংড়৪ - ২ ফোঁটা সোডিয়াম ক্লোরাইড ঘধপষ-.২৫ম ক্যালসিয়াম ফসফেট ঈধ(চড়৪)২ - .৫০ পাতিত পানি ১০০০ ঈ.ঈ. ফর্মুলা-৩ পটাসিয়াম নাইট্রেট কহড়৩ -.২ম পটাসিযাম ক্লোরাইড কঔপষ. ২ম পটাসিয়াম বাই ফসফেট কঐ২চঙ৪ - .২ম ক্যালসিয়াম নাইট্রেট ঈধ(ঘঙ৩)৪ - ০.৮ম ফ্লোরিক ক্লোরাইড দ্রবণ ঋবপষ৩ - .৫ম পাতিত পানি ১০০০ ঈ.ঈ তালিকা-১ গাছের পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজনীয়তার হার- নাইট্রোজেন ১.২৫% - ১.৭৫% পটাসিয়াম (ঘ) - ১% ফসফরাস (ক) - .২% ক্যালসিয়াম (চ) -.৫% ম্যাগনেসিয়াম (গম) -.২% সালফার (ঝ) - .১% বোরন (ই) -.০০২% জিংক (তহ) - .০০২% লৌহ (ঋব) -.০১% ম্যাঙ্গানিজ (গহ) -.০০৫% মলিবডেনাম (গউ) -.০০০০১% কপার (ঈধ) - .০০০৬% ক্লোরিন (ঈষ) -.০১% তালিকা-২ ইউরিয়া-৪৫% এস.এস.পি ১৫-২০% চ২উ৫ [% চ২ঙ৫ক্ম.৪৩=% অথবা % চ২ঙ৫=%চক্ম২.২৯] গচ - ৬০% ক২ঙ+ঈষ [% ক২ঙ = % কঢ ১.২ অথবা % ক২ঙঢ.৮৩=%ক] তুতে ২৫% পহ পটাসিয়াম নাইট্রেট ১৩% ঘ, ৮০% ক২ঙ পটাসিয়াম সালফেট ৪৫% ক২ঙ, ১৫% ঝ জিংক সালফেট ১৭% ঝ, ৩৬% ুহ জিপসাম ১৪% ঝ, ২০% পধ বোরিক ১০% ই খাবার লবণ চুন- * তালিকা দুটো দিয়ে তোমাদের রসায়ন স্যারের সাহায্য নিয়ে আরও ফর্মুলা বানাও। তবে ইউরিয়া ঞঝচ, গচ কিন’ এক সাথে মিশিয়ে রাখবে না। পাত্র সাজানো আর অ্যাকশন ক্স টবে কিংবা বীজতলায় তোমার নির্বাচিত গাছের চারা করে নাও। ক্স খুব সাবধানে শেকড় সহ ১-২ সপ্তাহ বয়সের সুস’ সবল চারা লাগাবে। ক্স বোতালের মুখ বন্ধ করে দাও আর ফুটোটার মধ্যে চারাটি তুলোর ধারকে জড়িয়ে বসিয়ে দাও। ক্স অপর ফুটোয় একটা পাইপ (প্রাণ/ কোকের ষ্ট্র থেকে একটু মোটা) কাচ কিংবা প্লাষ্টিকের বোতলের তল স্পর্শ করে ঢুকিয়ে দাও। ক্স বাকী ফুটো দুটির একটি তুলো দিয়ে বন্ধ করে অপরটায় একটা ফানেল (হারিকেনে কেরোসিন ঢালে) ঢোকানোর জন্য খুলে রাখ। এখান দিয়েই তরল ঝোল ঢালা হবে। ক্স সব টিক মত সেট করে এবার ফানেল বসিয়ে ধীরে ধীরে পুষ্টি ঝোল ঢালো। ক্স খুব হুঁশিয়ার যেন গাছের বিটপ অংশ যেখানে শেষ আর শেকড় যেখানে শুরু, তার থেকেও ০.৫-২ ইঞ্চি নিচে যেন তরল ঝোল সব সময় থাকে। অর্থাৎ, শেকড় তরলে ডুবলেও যেন শেকড়ে ওপর দিকে ১.৫-২ ইঞ্চি খালি থাকে। এখানে বাতাসের জন্য এটা রাখতেই হবে। ক্স সব ঠিকমত হয়ে গেলে তোমার পছন্দের জায়গায় গাছটিসহ বোতলকে সেট কর। সত্যি বলতে ঘরে ফ্যান জোরে ঘুরলে কোন ইনডোর প্লান্টই সাধারণত বাঁচে না। আর এতো সবে কচি চারা। পর্যাপ্ত সুুর্যালোক, প্রবাহমান বায়ু, কমপক্ষে ৫ ঘণ্টা রাতের আঁধার এমন এলাকায় স’াপন কর। ক্স ফুল গাছ না হয়ে সবজি হলে বেলকনি, কার্নিশ এগুলোই ভালো। কারণ স্বাচ্ছন্দ্যে মাচা, স্ট্রান্ড (ঝঃঁপশরহম) দেয়া যায়। পুষ্টি ঝোল (ঘঁঃৎরবহঃ ঝড়ষঁঃরড়হ) প্রয়োগ ঃ ক্স বাচ্চা বয়সে ক্ষিদে পেলেই যেমন দুধ তেমনি শেকড়ে ১.৫ ইঞ্চি থেকে বেশি নিচে তরল নেমে গেলেই ঝোল। ক্স বয়স আর উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে তরল ঢালার পরিমাণ, পরিমাপ ও সময় নিজ কর্মগুণে বের করে নিতে হবে। ক্স বিজ্ঞান/কৃষি বিজ্ঞান বইয়ের গাছের বৃদ্ধি আর পুষ্টি উপাদানের কাজ চ্যাপ্টারটা মনোযোগ দিয়ে পড় কারণ এখানে প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ আর এক্সপ্লোরেশন করতে হবে। ক্স অর্থাৎ, নাইট্রোজেন কিংবা অন্য যে কোন কিছু বেড়ে গেলে ঝোলে নাইট্রোজেন কম বা বন্ধ করে দিতে হবে। ক্স আবার সব উপাদানই বেশি হয়ে গেলে শুধু পানি বা বৃষ্টির ধরে রাখা পানি দিতে হবে। ক্স ঝোলের মসলা পাতি নিচে বসে গেলে পাশে বাতাসের পাইপটা দিয়ে একটু নেড়ে চেড়ে মিশিয়ে দিতে হবে। ক্স আর বাকিটা ঠেকে শেখ। রোগ বালাই না হলেই ভাল। ফলাফল ঃ ক্স গাছ বাড়ছে, বাড়ছে তার সৌন্দর্য, রূপ, রস, গন্ধ ও ফলন। ক্স কি করব? বাগানকে মাঠ থেকে ছাদে, ছাদ থেকে টবে, টব থেকে টেরিরিয়াল আর শেষে মাটিকেই তালাক দেবার চেষ্টা মেতেছি। আসলে কিন’ এটা সত্যি নয়। তবে কি সত্যি তা এখন বোঝা যাবে না। কারণ আধুনিক বিশ্ব প্রযুক্তি সম্পর্কে সৃষ্ট এই চেতনার বীজ কি জন্ম দেবে তা তো আগামী কালের ব্যাপার। আর আমিতো নষ্ট্রার্ডামোস নই। ক্স আর একটা গোপন তথ্য দেই- সত্যি বলতে গাছ নির্বাচন থেকে পুরো ইউনিট স’াপন করে সব কাজে বা প্রতিটা ধাপে সাফল্য কিন’ আমি একবারে পাইনি। পূর্ণ কামিয়াবির জন্য করেছি বার বার চেষ্টা। কারণ- “একবার না পারিলে দেখ শতবার।”